কদম ফুলের ছবিটি তুলেছেনঃ বলরাম মহলদার
ছবির লাইসেন্সঃ Creative Commons 3.0
কদম্ব নিয়ে বাংলা ভাষায় অনেক গান, কবিতা লেখা হয়েছে। বর্ষাকালের এই ফুলটি বাংলাদেশের সব মানুষেরই প্রিয়। কাজী নজরুল ইসলাম এর ভাষায়-
“ কেয়া পাতার তরী ভাসায় কমল -ঝিলে
তরু-লতার শাখা সাজায় হরিৎ নীলে।
ছিটিয়ে মেঠো জল খেলে সে অবিরল
কাজলা দীঘির জলে ঢেউ তোলে
আনমনে ভাসায় পদ্ম-পাতার থালিকা।”
অদিতি মহসিনের কন্ঠে একটি রবীন্দ্রসংগীত হলে মন্দ হয় না, কি বলেন?- বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল

হুমায়ূন আহমেদ প্রেমিকাকে আহ্বান করেন তার নিজের ভাষায়,
“ যদি মন কাঁদে
তুমি চলে এসো, চলে এসো
এক বরষায় ”
তুমি আসলে তোমার খোপায় কদম ফুল গুজে দেব(আমাকে প্লানচেটে এসে হুমায়ূন আহমেদ বলে গেছেন)
কিছু প্রশ্নের উত্তরঃ
  • কদম ফুল কখন ফোটে?
উত্তরঃ এটি বর্ষাকালের ফুল। আষাঢ় এবং শ্রাবণ এই দুইমাস বর্ষাকাল। এটি মূলত আষাঢ় মাসে ফোটে। চীন, ভারত, বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নানা দেশে এই ফুলের দেখা মেলে(মূলত দক্ষিণ এশিতেই)।যখন ফুল ফোটে তখন চারিদিকে এর সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।  পাতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা ফুলগুলোকে গ্রামের ছেলেমেয়েরা গন্ধ থেকেই খুঁজে বের করে।
  • কদম ফুলের সমার্থক শব্দ কি?
উত্তরঃ অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে। যেমনঃ নীপ, বৃত্তপুষ্প, ললনাপ্রিয়, সুরভি, মেঘাগমপ্রিয়, সর্ষপ ইত্যাদি।
উইকিপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী কদম গাছের ছাল জরের জন্য উপকারী। এর পাতার রস কৃমিনাশক হিসেবে কাজ করে। খেতে খুব একটা সুস্বাদু না, তাই অনেকেই খেতে পছন্দ করবেন না।